ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের এবং সময়ের সঙ্গে এ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। একই সঙ্গে নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশের অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আগামী ‘গোল্ডেন ফিফটি ইয়ার্স’-এর জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বাংলাদেশ-চীন কালচার, ইকোনমি অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন সেন্টারের (BCCEMCC) উদ্যোগে আয়োজিত চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এসব কথা বলেন। রাজধানীর গুলশান ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও নীলুফার চৌধুরী মনি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ২০০ বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। সময়ের সঙ্গে এ বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতায় বাংলাদেশের সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দৃঢ় সমর্থন ও ব্যাপক অংশগ্রহণের জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে আরও ভালোভাবে ভাগাভাগি করতে চীন প্রস্তুত। নতুন যুগে চীন-বাংলাদেশের অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্পন্ন একটি কমিউনিটি যৌথভাবে গড়ে তোলার পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কের পরবর্তী ‘গোল্ডেন ফিফটি ইয়ার্স’-এর জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরিতে চীন কাজ করতে চায়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি চীনের আধুনিকায়নের উল্লেখযোগ্য সাফল্যের প্রশংসা করেন।
চীনের মহাকাশ অভিযানের প্রাথমিক সাফল্যের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, চীনের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে ‘দ্য ইস্ট ইজ রেড’ গানটি সম্প্রচার এশিয়া ও তৃতীয় বিশ্বের দেশ ও জনগণকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
ড. মঈন খান বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে এবং দুই দেশের জনগণের বৃহত্তর কল্যাণে এ সম্পর্ক থেকে নতুন সুফল আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।











