September 24, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার

আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের হাইকমিশনার

Image

ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ

আয়ুর্বেদের গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময় আরও জোরদার করতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার গুলশানে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) আয়োজিত ১১তম আয়ুর্বেদ দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, সামগ্রিক সুস্থতা ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী জ্ঞানব্যবস্থার প্রাসঙ্গিকতা আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আয়ুর্বেদ বিষয়ে একটি যৌথ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হলে তা একাডেমিক ও পেশাগত জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ দুই দেশের দীর্ঘদিনের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

এ বছরের আয়ুর্বেদ দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘Ayurveda for a Healthier Tomorrow’। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ উপস্থিত অতিথিদের স্বাগত জানান। তিনি আয়ুর্বেদসহ যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথি, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথির প্রসারে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারি আয়ুর্বেদ ও ইউনানি কলেজের অধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান খান, প্রাচীর প্রতিনিধিত্বকারী ড. মো. মুখলেসুর রহমান, নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মামুন মিয়া এবং নারায়ণগঞ্জ আর্টস কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল আলম আজাদসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানের একাডেমিক পর্বে আয়ুর্বেদ বিষয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. বাবুল আক্তার এবং নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ মামুন মিয়া। বাংলাদেশের বিভিন্ন আয়ুর্বেদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশ নেন।

পরে সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশি শিল্পী শাহিন সোবহানা সুরভির উলের তৈরি গণপতি ট্যাপেস্ট্রির প্রতীকী উদ্বোধন করা হয়। এরপর খ্যাতিমান শাস্ত্রীয় ও বাংলা খেয়াল সংগীতশিল্পী এবং সংগীত শিক্ষাবিদ রঞ্জন চন্দ্র সরকার সংগীত পরিবেশন করেন। তাঁর পরিবেশনায় ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত ও বাংলা সংগীতের ঐতিহ্য ফুটে ওঠে, যা দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনের দিকটি তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সংগীতশিল্পী রঞ্জন চন্দ্র সরকারকে সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সরকারি ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ, হামদর্দ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজ এবং দ্য আয়ুর্বেদ কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটসহ দেশের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।

Scroll to Top