ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্ক:
ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সম্মানে এক বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করে। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সংবর্ধনায় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে এ মাসের শেষদিকে অনুষ্ঠিতব্য কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

যুক্তরাজ্য আবারও কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করতে পেরে গর্বিত। এবার ২০২৬ সালে প্রাণবন্ত শহর গ্লাসগো এই আসরের আয়োজক। ২০১৪ সালের পর এটি যুক্তরাজ্যের তৃতীয়বারের মতো কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন, যা কমনওয়েলথের প্রতি দেশটির অঙ্গীকার এবং খেলাধুলার মাধ্যমে ঐক্য, অনুপ্রেরণা ও ইতিবাচক পরিবর্তন সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিকে পুনর্ব্যক্ত করে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং কমনওয়েলথ গেমসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তাদের শুভকামনা জানানো হয়। এবারের আসরে বাংলাদেশ চারটি ডিসিপ্লিনে অংশ নেবে—অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস এবং সাঁতার।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, “কমনওয়েলথ গেমস সত্যিই একটি বিশেষ আয়োজন। এটি এমন এক বৈচিত্র্যময় কমনওয়েলথ পরিবারের দেশগুলোকে একত্রিত করে, যারা ন্যায্যতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সবার জন্য সমান সুযোগের মতো অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী।
তিনি আরও বলেন, ‘আর কয়েক দিনের মধ্যেই বাংলাদেশের এই অসাধারণ ক্রীড়াবিদরা গ্লাসগোর উদ্দেশে রওনা হবেন। তাদের প্রত্যেকের জন্য আমার আন্তরিক শুভকামনা রইল।’”
অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ অংশীদারিত্বের বিষয়টি তুলে ধরা হয় এবং আধুনিক কমনওয়েলথের মূল্যবোধ উদযাপন করা হয়।
বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের পাশাপাশি সংবর্ধনায় সরকারের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা, ঢাকায় বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনের মিশনপ্রধান, ক্রীড়া অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।











