ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূত আলী তুনিয়ান আব্দুল ওহাব হামাদাহ (Ali Thunayun Abdulwahab Hamadah)-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই, ২০২৬) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও কুয়েতের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় কুয়েতের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গভীর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে আলোচনায় কুয়েতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কুয়েতে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বৈধ প্রক্রিয়ায় আরও বেশি বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগ এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান এবং বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কুয়েতি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এ সময় কুয়েতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে কুয়েত সরকারের গভীর আগ্রহের কথা জানান।
জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়েও উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন।
বৈঠকের শেষে কুয়েতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও বৈশ্বিক কূটনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কুয়েত সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক কূটনৈতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ঢাকাস্থ কুয়েত দূতাবাসের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।











