February 6, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • মারকোসুর বাজারে পোশাক রপ্তানির প্রবেশদ্বার হতে পারে উরুগুয়ে: বিজিএমইএ

মারকোসুর বাজারে পোশাক রপ্তানির প্রবেশদ্বার হতে পারে উরুগুয়ে: বিজিএমইএ

Image

অনলাইন ডেস্কঃ

দক্ষিণ আমেরিকার প্রভাবশালী বাণিজ্যিক ব্লক, মারকোসুর বাজারে বাংলাদেশ থেকে পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে উরুগুয়ে ‘গেটওয়ে’ বা প্রধান প্রবেশদ্বার হতে পারে বলে মনে করে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

আজ বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি, ২০২৬) বাংলাদেশে নিযুক্ত উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি বিজিএমইএ পরিদর্শনে এলে এ ব্যাপারে অভিমত প্রকাশ করেন বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ।

বিজিএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খানের নেতৃত্বে বিজিএমইএ এর পক্ষ থেকে আলোচনায় আরও অংশ নেন পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম এবং পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে উরুগুয়ের অনারারি কনসাল মোস্তফা কামরুস সোবহান।

সভায় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বিজিএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান বাংলাদেশ থেকে উরুগুয়ে’তে পোশাক রপ্তানি বাড়াতে রাষ্ট্রতের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজিএমইএ পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে উরুগুয়ে মারকোসুর অঞ্চলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রধান ‘গেটওয়ে’ বা প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করতে পারে।

উরুগুয়ের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশের পাশাপাশি উরুগুয়ের বিশ্বমানের ‘ট্রেসেবিলিটি’ যুক্ত উল বাংলাদেশে রপ্তানির প্রস্তাব দেন।

বাংলাদেশে উরুগুয়ের অনারারি কনসাল মোস্তফা কামরুস সোবহান বলেন, উরুগুয়ের মেরিনো উলের রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ট্রেসেবিলিটি সনদ, এবং বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারীরা ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে পারে।

বিজিএমইএ পরিচালক শেখ হোসেন মোহাম্মদ মোস্তাফিজ বলেন, বাংলাদেশ উরুগুয়ে থেকে উল আমদানির মাধ্যমে পণ্যে বৈচিত্র্য এনে লাতিন আমেরিকার বাজারে অবস্থান শক্তশালী করতে পারে।

সভায় উভয় পক্ষ বিশেষভাবে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মারকোসুর ব্লকের সাথে বাংলাদেশের এফটিএ করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। বিজিএমইএ এর পরিচালক সুমাইয়া ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ যদি উরুগুয়ে থেকে কাঁচামাল হিসেবে ‘উল’ আমদানি করে, এবং বিনিময়ে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো অগ্রাধিকার এফটিএ-তে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে পোশাক শিল্প উপকৃত হবে।

বলা হয় যে, মারকোসুর এর সঙ্গে বানিজ্য চুক্তি করলে উভয় পক্ষই বানিজ্য সম্প্রসারণে লাভবান হবেন। বিশেষ করে উরুগুয়ের দক্ষ বন্দরগুলো ও উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা ব্যবহার করে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকগন সহজেই পুরো মারকোসুর অঞ্চলে পণ্য সরবরাহ করতে পারবেন।

সভায় বিজিএমইএ এর পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী উরুগুয়েতে একটি শক্তিশালী বানিজ্য প্রতিনিধিদল পাঠানোর প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন।

রাষ্ট্রদূত আলবার্তো গুয়ানি জানান, উরুগুয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে একটি প্রতিনিধি দল প্রেরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। বিজিএমইএ এই প্রতিনিধি দলের অংশ হতে পারে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। বিজিএমইএ নেতারা ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের ওপর জোর দেন।

উভয় পক্ষ একসাথে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

Scroll to Top