ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতি ঢাকায় বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন খাতে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে পর্যটন উন্নয়ন, বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

২০২৭ সালে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে পর্যটন ও সংস্কৃতি খাতে যৌথ বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত পর্যটন খাতে আরও সুনির্দিষ্ট সহযোগিতা গড়ে তুলতে তার দেশের আগ্রহের কথা জানান। এর মধ্যে পর্যটন প্রচার, পর্যটন গন্তব্য উন্নয়ন, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয় রয়েছে। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও মানবসম্পদ উন্নয়নের সুযোগ নিয়েও উভয় পক্ষ আলোচনা করে।
বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (এমআরও) বিষয়ে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণ, বিশেষ করে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে।
ব্যবসায়িক সফর ও পর্যটনের ক্ষেত্রে দুই দেশের জনগণের চলাচল আরও সহজ করতে ভিসা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। বর্তমান ইন্দোনেশীয় নীতিমালার আওতায় ঢাকাস্থ ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা সেবা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশি নাগরিকদের ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণ আরও সহজ ও সুবিধাজনক করতে ই-ভিসা ব্যবস্থার ব্যবহার আরও উন্নত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের ধারাবাহিক সৌজন্য সাক্ষাতের অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার এবং বিশেষ করে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন সুযোগ অন্বেষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।











