April 25, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • জাতীয়
  • মেধাস্বত্ব সুরক্ষাই জাতীয় অগ্রগতির চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মেধাস্বত্ব সুরক্ষাই জাতীয় অগ্রগতির চাবিকাঠি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Image

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আগামীকাল রবিবার (২৬ এপ্রিল, ২০২৬) উদযাপিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক বাণীতে দেশের উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে মেধাস্বত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

বাণীতে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে, যা দেশের দ্রুত অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’—এটি সময়োপযোগী এবং তরুণদের সৃজনশীলতা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নতুন ধারণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করে। একই সঙ্গে ক্রীড়াপ্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প ও ডিজিটাল কনটেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে তারুণ্যের শক্তিতে ভরপুর। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম শর্ত। এ লক্ষ্যে সরকার আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

বাণীতে আরও বলা হয়, অনলাইন নিবন্ধন, দ্রুত সেবা প্রদান, আইনগত সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্য প্রতিরোধে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। জামদানি ও ইলিশসহ দেশীয় পণ্যের বৈশ্বিক মর্যাদা রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদন নয়; এটি সম্ভাবনাময় পেশা, সামাজিক শক্তি এবং উদীয়মান অর্থনৈতিক খাত। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালুর মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দেশব্যাপী নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

Scroll to Top