ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-কে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি। তিনি বলেন, অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং এ অঞ্চলের বিপুল অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নবায়িত আঞ্চলিক সংলাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার কোনো বিকল্প নেই।
সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘Rebuilding Trust, Renewing Regional Integration: Pathways for Revitalising SAARC’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিআইআইএসএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান, awc, afwc, psc, G, স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের সেন্টার ফর বে অব বেঙ্গল স্টাডিজের উপদেষ্টা এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়া স্টাডিজের ডিস্টিংগুইশড ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো রাষ্ট্রদূত তারিক এ. করিম।

সেমিনারে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব (সার্ক ও বিমসটেক) ও কোডার্স ট্রাস্ট বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. শামসুল হক।
মূল প্রবন্ধ ও প্যানেল আলোচনার পর অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা সার্কের কার্যকারিতা সীমিত হওয়ার কাঠামোগত কারণ, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্য সত্ত্বেও কার্যকর আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন এবং সহযোগিতার নতুন পথ উন্মোচনে সার্ককে আরও কার্যকর ও গতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী এবং নীতিনির্ধারণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।











