ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
বাংলাদেশ ও ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর, কিশোর কুমার ও মান্না দে-কে স্মরণে বিশেষ সংগীতসন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর, ২০২৬) তারিখে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (আইজিসিসি) সহযোগিতায় ‘এ মিউজিক্যাল ইভিনিং উইথ লেজেন্ডস’ শীর্ষক এ আয়োজন করা হয়। কিংবদন্তি এই তিন শিল্পীর কালজয়ী সংগীতকর্ম এবং বাংলাদেশ ও ভারতের শ্রোতাদের কাছে তাঁদের দীর্ঘস্থায়ী জনপ্রিয়তা উদ্যাপন করাই ছিল এ অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ানকুমার বাদে। তিনি লতা মঙ্গেশকর, কিশোর কুমার ও মান্না দে-র সমৃদ্ধ সংগীত ঐতিহ্য এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে তাঁদের জনপ্রিয়তার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে সংগীত, শিল্পকলা এবং পারস্পরিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন তিনি।

সংগীতসন্ধ্যায় বাংলাদেশের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী সমরজিৎ রায় ও অনুপমা মুক্তি কিংবদন্তি তিন শিল্পীর জনপ্রিয় গান পরিবেশন করেন। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সমরজিৎ রায় কিশোর কুমার ও মান্না দে-র গাওয়া বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সংগীতাঙ্গনে পরিচিত কণ্ঠশিল্পী অনুপমা মুক্তি পরিবেশন করেন লতা মঙ্গেশকরের কালজয়ী কিছু গান।

অনুষ্ঠানে সমরজিৎ রায় ও অনুপমা মুক্তির যৌথ পরিবেশনাও ছিল অন্যতম আকর্ষণ। তাঁদের সঙ্গে একদল দক্ষ বাদ্যযন্ত্রী সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন। এ আয়োজনে বাংলাদেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সংগীতপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের সম্মাননা জানানো হয়।
কিংবদন্তি শিল্পীদের স্মরণে আয়োজিত এ সংগীতসন্ধ্যা দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সংগীতের প্রতি মানুষের ভালোবাসা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়নে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বকে নতুনভাবে তুলে ধরে।











