October 1, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • বাংলাদেশ-সৌদি বিমান যোগাযোগ ও পর্যটন সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

বাংলাদেশ-সৌদি বিমান যোগাযোগ ও পর্যটন সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

Image

ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ

সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত Abdullah ibn Dhafer ibn Ubayya-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ২টায় মন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল, হজযাত্রী পরিবহন, এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্টসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই সাপ্তাহিক ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধিতে General Authority of Civil Aviation-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আলোচনায় বাংলাদেশি হজযাত্রীদের ওপর আরোপিত কর/চার্জ প্রসঙ্গটি বিশেষ গুরুত্ব পায়। গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২০২৭ সালের হজ ফ্লাইট পরিচালনা নিয়েও আলোচনা হয়। ঢাকা-জেদ্দা-ঢাকা রুটে ২৮ মার্চ ২০২৭ থেকে ৩০ অক্টোবর ২০২৭ পর্যন্ত প্রতিদিন তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে স্লটের আবেদন করেছে। হজ ২০২৭-এর ফ্লাইট সূচি চূড়ান্ত করার স্বার্থে দ্রুত স্লট অনুমোদনের বিষয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

দুই দেশের Air Services Agreement (ASA) নিয়েও বৈঠকে অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। মন্ত্রী জানান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB) বর্তমানে চুক্তির খসড়া প্রস্তুতের কাজ করছে। খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার পর চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

সৌদি এয়ারলাইনস Flyadeal-এর অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার অনুরোধ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও স্লট ব্যবস্থাপনা সীমিত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা বিবেচনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি দাম্মাম ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে।

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার পাশাপাশি বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এছাড়া হজ মৌসুমকে সামনে রেখে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শনে General Authority of Civil Aviation-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট Mr Ali Mohammed Rajab-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের ঢাকায় আসার আগ্রহের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী সৌদি রাষ্ট্রদূত ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি আশাবাদী।

Scroll to Top