ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় নিয়ে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) তাদের ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নতুন পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর, ২০২৬) রাজধানীর হোটেল লেকশোর গ্র্যান্ডে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেবিসিসিআইয়ের প্রায় ২৪০ জন সদস্য, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, বিশিষ্ট অতিথি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।




বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে জেবিসিসিআইয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে সংগঠনটির সদস্যসংখ্যা বেড়ে ৩৯১টি কোম্পানিতে উন্নীত হওয়া, নীতি-সহায়তা ও অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম, বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (EPA) সম্পাদনে সহায়তা, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদারের বিষয়গুলো বিশেষভাবে উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সেলেন্সি সাইদা শিনিচি। তিনি জেবিসিসিআইয়ের কার্যক্রমের প্রতি জাপানের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এজিএমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ ছিল ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের জেবিসিসিআইয়ের নতুন পরিচালনা পর্ষদের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি। নতুন পর্ষদের নেতৃত্বে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কাজুউকি কাটাওকা।
নতুন নেতৃত্ব জেবিসিসিআইয়ের বিদায়ী পর্ষদের অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সদস্যদের আরও সম্পৃক্ত করা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও জাপানের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
জেবিসিসিআইয়ের ২১তম এজিএম ও নতুন পর্ষদের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি একদিকে সংগঠনটির বিদায়ী নেতৃত্বের সাফল্য উদযাপন করেছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা ও উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
নতুন পর্ষদ দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দুই দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ সহযোগিতাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক পর্যায়ে উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।











