October 6, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার

দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার

Image

ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ

দেশের এভিয়েশন খাতের উন্নয়ন ও বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির শীর্ষস্থানীয় বিমান সংস্থা লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে দেশে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (MRO) সুবিধা স্থাপন এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে লুফথানসার সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তাঁর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। লুফথানসা বিশ্বখ্যাত একটি এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান হওয়ায় দেশের এভিয়েশন হাবের অগ্রযাত্রায় প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে মেইনটেন্যান্স, রিপেয়ার অ্যান্ড ওভারহল (MRO) সুবিধা স্থাপনে লুফথানসার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি দেশে দক্ষ বিমান চলাচল খাতের মানবসম্পদ গড়ে তুলতেও লুফথানসা সহযোগিতা করতে পারে।

বৈঠকে বাংলাদেশের কার্গো পরিবহনের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আরোপিত ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (HRCM) স্ট্যাটাস নিয়েও আলোচনা হয়। ২০১৭ সাল থেকে এ স্ট্যাটাস বহাল রয়েছে। মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং অর্জন করেছে। এ অবস্থায় HRCM স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা সরকারের কাম্য।

বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশের উন্নয়নে ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য সরকার কাজ করছে। তবে এয়ারবাসের ডেলিভারি সময় এগিয়ে আনা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলোর ডেলিভারি শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জার্মানির বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে।

সাক্ষাৎ শেষে মন্ত্রী জার্মান রাষ্ট্রদূত ও লুফথানসার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ হবে।

Scroll to Top