ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি।

ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনার পাওয়ানকুমার বঢ়ে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছেন। তাঁর মতে, এই দুই মহান কবির প্রতি দুই দেশের মানুষের অব্যাহত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে বিদ্যমান।

অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ, সহযোগিতায় ছিল ইন্দিরা গান্ধী সংস্কৃতি কেন্দ্র (IGCC) Indira Gandhi Cultural Centre (IGCC), কালচারাল স্কুল তপোবন, নৃত্যাঞ্চল এবং বহুমাত্রিক ডটকম।
সন্ধ্যার অন্যতম আকর্ষণ ছিল নৃত্যাঞ্চলের প্রখ্যাত শিল্পী শামীম আরা নীপা ও শিবলী মোহাম্মদের নির্দেশনায় পরিবেশিত নৃত্য-সঙ্গীতনির্ভর মূকনাট্য “নৃত্যগীতি”। এতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের গান ও দর্শনের সৃজনশীল সমন্বয় উপস্থাপন করা হয়। পরিবেশনার সময় তাঁদের ১৪টি জনপ্রিয় গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা।






আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী। আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহমেদ রেজা। বক্তারা দুই কবির সাহিত্য, সঙ্গীত ও দর্শনের প্রভাব এবং বাংলা সংস্কৃতিতে তাঁদের অবদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা ও আশপাশের ১৩টি বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর আঁকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতি নিয়ে একটি চিত্রকর্ম প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়। শেষে অংশগ্রহণকারী নবীন শিল্পীদের মাঝে সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।











