ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ
ঢাকাস্থ কসোভো দূতাবাস আয়োজিত কসোভোর স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে কসোভো দূতাবাস এর আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেছেন সাপ্তাহিক ঢাকা মিডিয়া এর সম্পাদক প্রকৌঃ মোহাম্মদ সজীবুল-আল-রাজীব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি কসোভোর রাষ্ট্রদূত ও কসোভো দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কসোভো দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও বেগবান হবে। পাশাপাশি তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ ও কসোভো উভয় দেশই সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও সার্বভৌমত্ব অর্জনের অভিন্ন অভিজ্ঞতা বহন করে। এই ঐতিহাসিক সাদৃশ্য দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বাংলাদেশের নতুন সরকারের পক্ষ থেকে কসোভোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত পল্লানা তার বক্তব্যে স্বাধীনতার পর থেকে কসোভোর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত প্রায় দুই দশকে কসোভো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গঠন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে।

তিনি বাংলাদেশ ও কসোভোর মধ্যকার সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি জানান, ইতোমধ্যে দুই দেশের মধ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে দ্বিপাক্ষিক পরামর্শ, কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ এবং কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি। এছাড়া শিক্ষা খাতে চারটি MoU স্বাক্ষরের মাধ্যমে একাডেমিক বিনিময় জোরদার হয়েছে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।











