September 20, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এর সাথে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনের রাষ্ট্রদূত

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এর সাথে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনের রাষ্ট্রদূত

Image

ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ

বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন রোববার (২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েনকে উপদেষ্টা ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা পারস্পরিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, প্রশাসন ও জ্ঞান-বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময় এবং সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও গভীর করা সম্ভব।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের চীন সফরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব আরও জোরদার করতে ‘চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি’র উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল, সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গহণ করা যায়। এই ব্যবস্থায় বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়বে।

রাষ্ট্রদূত চীনা কমিউনিস্ট পার্টি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ করে দুই দলের সহযোগিতা আরও বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সাক্ষাতে চীনের দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Scroll to Top