February 10, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • অন্যান্য খবর
  • হজের বিমানভাড়া দুই বছরে ৪০ হাজার টাকা কমানো বড় অর্জন: ধর্ম উপদেষ্টা

হজের বিমানভাড়া দুই বছরে ৪০ হাজার টাকা কমানো বড় অর্জন: ধর্ম উপদেষ্টা

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। গত প্রায় দুই বছরে হজের বিমানভাড়া পর্যায়ক্রমে ৪০ হাজার টাকা কমানো ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন ধর্ম উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, গত বছর সরকারি ব্যয়ে কাউকে হজে নেওয়া হয়নি, চলতি বছরও কাউকে নেওয়া হবে না। এ বছর হজযাত্রীরা তিন কোটির বেশি টাকা ফেরত পাবেন বলেও জানান তিনি।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, হজের প্রস্তুতি এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক। মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে প্রায় ৯৫ শতাংশ সফলতা অর্জিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, “গত দেড় বছর আমি অত্যন্ত স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ছিল আমার লক্ষ্য। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে কাজ করার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে চেষ্টা করেছি।”

জুলাই বিপ্লবের পর হজ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যৌক্তিক ব্যয়ে হজ পালনের জনআকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে কাজ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা ও দরকষাকষির মাধ্যমে ২০২৫ সালের হজে বিমানভাড়া প্রায় ২৭ হাজার টাকা কমানো সম্ভব হয়। চলতি বছরে গত বছরের তুলনায় আরও প্রায় ১৩ হাজার টাকা বিমানভাড়া কমানো হয়েছে।

তিনি জানান, ২০২৪ সালের হজে বিমানভাড়া ছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০০ টাকা, যা ২০২৬ সালের হজে এসে কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকায়। বিমানভাড়া আরও কমানোর চেষ্টা অব্যাহত ছিল বলেও জানান তিনি।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “গত বছর সরকারি মাধ্যমে হজ পালনকারী হাজিদের উদ্বৃত্ত হিসেবে ৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৭ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হজ এজেন্সিগুলোর অব্যয়িত প্রায় ৩৮ কোটি টাকা, যা সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের আইবিএন হিসাবে জমা ছিল, তা অব্যাহত যোগাযোগের মাধ্যমে ফেরত এনে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে দেওয়া হয়েছে।”

ওয়াকফ প্রশাসন প্রসঙ্গে ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, জনবল সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এই খাতে প্রত্যাশিত সফলতা অর্জন সম্ভব হয়নি। সারা দেশে হাজার হাজার একর ওয়াকফ সম্পদ থাকা সত্ত্বেও এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করা যায়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।

Scroll to Top