ডেস্ক রিপোর্টঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, লক্ষ্যভিত্তিক ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত বিতরণ করা হলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই শুধু যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ধনী-দরিদ্র মিলিয়ে প্রায় ৪ কোটি পরিবার রয়েছে। এসব পরিবারের মধ্যে দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে ৫ লাখ পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে যাকাত দেওয়া হলে অনেক পরিবারই পরবর্তী বছর আর যাকাত গ্রহণের প্রয়োজন পড়বে না।

শনিবার (৭ মার্চ, ২০২৬) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এতিম শিশু ও ওলামা-মাশায়েখদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে ইফতারের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলামের বিধান অনুযায়ী সমাজের অনেক বিত্তবান ব্যক্তি নিজ উদ্যোগেই যাকাত দিয়ে থাকেন। আবার কেউ কেউ সরকারের যাকাত বোর্ডের মাধ্যমেও যাকাত প্রদান করেন। বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে প্রতি বছর যাকাতের পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। কেউ কেউ এর পরিমাণ আরও বেশি বলে উল্লেখ করেছেন।

তবে তিনি বলেন, সুপরিকল্পিত ও সুসংগঠিতভাবে যাকাত বণ্টন না হওয়ায় বিত্তবানদের যাকাত আদায় হয়ে গেলেও সেই অর্থ দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখছে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকে যায়।
ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকসহ বিভিন্ন আলেম-ওলামা ও এতিম শিশুরা অংশ নেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।











