April 13, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • জাতীয়
  • ঐক্য-সম্প্রীতির চেতনায় এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন

ঐক্য-সম্প্রীতির চেতনায় এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন

Image

ডেস্ক রিপোর্টঃ

রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানিয়ে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের প্রাণের সর্বজনীন উৎসব। এটি জাতির ঐক্য, সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে পহেলা বৈশাখ সবার জন্য আনন্দ ও মিলনের এক অনন্য দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের ধারক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম। বৈশাখের আগমনে মানুষের জীবনে জাগে নতুন প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি ও ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই সরকার বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী ও দূরদর্শী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মুঘল আমলে ফসলি সনের প্রবর্তনের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির সূচনা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। এই উদ্যোগ কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় নানা চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সবাইকে আরও সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নতুন বছরে ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, নববর্ষের এই আনন্দঘন মুহূর্তে সকল অশুভ শক্তি দূরীভূত হোক এবং সত্য ও সুন্দরের জয়ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হোক সর্বত্র। বিদায়ী বছরের দুঃখ-বেদনা মুছে গিয়ে নতুন বছর বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

এ সময় তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান—পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে ভেদাভেদ ভুলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে।

Scroll to Top