October 11, 2026

শিরোনাম
  • Home
  • আন্তর্জাতিক
  • সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘সাপ্তাহিক ঢাকা মিডিয়া’ এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানালেন এর সম্পাদক

সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘সাপ্তাহিক ঢাকা মিডিয়া’ এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানালেন এর সম্পাদক

Image

ডিপ্লোম্যাটিক ডেস্কঃ

সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে ঢাকাস্থ সিঙ্গাপুর হাইকমিশন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন জাতীয় সাপ্তাহিক ঢাকা মিডিয়া-এর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সজীবুল-আল-রাজীব।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি সিঙ্গাপুরের সরকার ও জনগণকে জাতীয় দিবসের উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশ থেকে সিঙ্গাপুরে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, শক্তিশালী জনসম্পর্ক বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বন্ধুত্বকে আরও গভীর করবে।

অনুষ্ঠানে বিদায়ী চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি বলেন, ঐক্য, বহুত্ববাদ, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও সমতার যে মূল্যবোধ সিঙ্গাপুরের জাতীয় অঙ্গীকারে প্রতিফলিত হয়েছে, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতেও এসব মূল্যবোধ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রেও এসব মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনার বিষয়ে সিঙ্গাপুর আশাবাদী উল্লেখ করে মিচেল লি বলেন, বন্দর ব্যবস্থাপনা, লজিস্টিকস, বিমান পরিবহন, ডিজিটাল অর্থনীতি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

মিচেল লি তার বিদায়ী বক্তব্যে ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে উষ্ণ বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার জন্য উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স-ডিজাইনেট ফিলিপ অং বলেন, ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির একটি হলো সিঙ্গাপুরের জাতীয় দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়া।

ফিলিপ অং বলেন, তার সরকারের নির্দেশনা হলো দুই দেশের আর্থিক সম্পর্ককে আরও গভীর, বহুমুখী ও গতিশীল করা। বাংলাদেশে তার দায়িত্বকালে দুই দেশের মধ্যে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধানের পাশাপাশি বিদ্যমান জনগণভিত্তিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Scroll to Top